সাহিত্যিক মোহাম্মদ খালেদ ইয়ার কে বিদায়ী সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করে জাতীয় কবিতা মঞ্চ আরব আমিরাত শাখা

532

প্রবাসে সাহিত্য চর্চা ও সাহিত্যের প্রসার জাতীয় কবিতা মঞ্চ আরব আমিরাত শাখা নির্ঝর ভাবে আলোকিত মোহিত প্রদীপ্ত এক জাগরণের শিখা জ্বালিয়ে আলোকিত করছে বিশ্ব বাংলার সাহিত্য অনিন্দ্য ধারা আমরা এই গর্বে অনুরণিত হতেই পারি
যে সাহিত্যকীর্তির সু বিশাল সম্ভারে সুস্থ বিনোদন ও সৃজনশীল মানস গঠন সহায়তার মনোভাব নিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছি নির্ঝর নিজ গুণে বরণীয় গুণীজনদের অনুপ্রাণিত ও সম্মানিত করার প্রচেষ্টায় প্রবর্তন করি ‘গুণীজন সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠান। জাতীয় কবিতা মঞ্চ এবং প্রবাসী কবি লেখকদের এমন মহৎ উদ্যোগ সৃজনশীলতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, প্রবাসে বাংলার সাহিত্যকে করবে সমৃদ্ধ, এদের হাত ধরেই এগিয়ে যাবে বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক অনির্বাণ কবিতা।

গত ২৭ ই নভেম্বর ২০১৬ ইং বর্নাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে কৃতিত্বপূর্ণ অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রবাসে সাহিত্য অবদানের জন্য জাতীয় কবিতা মঞ্চের সম্মানিত উপদেষ্টা বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক লেখক, সাহিত্যিক মোহাম্মদ খালেদ ইয়ার কে স্বরণ কালের সেরা বিদায়ী সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করে জাতীয় কবিতা মঞ্চ আরব আমিরাত শাখা ” উক্ত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এক অন্যরকম সাহিত্যে ও সংস্কৃতির মিলন মেলা দৃশ্যপট দৃশ্যমান হয় এ যেন মরুর বুকে এক পসলা বৃষ্টি হয়ে প্রশান্তির কারুকার্য পরিপাটির অনির্বাণ ছোঁয়ায় পর্যবসিত হয় সাহিত্যের বর্ণালি অঙ্গনে।

এতে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তুলেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রবাসের বরেণ্য কবি, লেখ্ক, সাহিত্যিক ,শুভানুধ্যায়ী সাহিত্যপ্রেমী ও কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আলোকিত করে কবিতার মঞ্চ। প্রবাসী কবি সাহিত্যিকদের স্বতঃ পূর্ত অংশ গ্রহণে বিদায়ী সংবর্ধনা বর্ণিল হল প্রবাসের মাটিতে সফলতার কাব্য কথা নতুনত্বের ছোঁয়ায় পাখা মেলল আবহমান বাংলার হাজার বছরের সংস্কৃতির নব রুপায়ন অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে ছিল পুষ্প গুচ্ছ দিয়ে অতিথি বরণ, প্রদীপ শিখা প্রজ্জলন, উদ্বোধনী সংগীত শুভেচ্ছা বক্তব্য ক্রেস্ট ও, সংবর্ধনা, দ্বিতীয় পর্বে ছিল সুরের মূর্ছনায় দেশের গান নিয়ে বর্ণাঢ্য মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর পরে সভাপতির কবিতা পাঠ ও সমাপনী বক্তব্য পথ হারাবেনা আরব আমিরাত কবিতা মঞ্চ এগিয়ে যাওয়ার দুর্বার জয়তু ঝংকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে এবং বিদায়ী অতিথির সম্মানার্থে আপ্যায়ন এর মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান পরিসমাপ্তির ইতি টানা হয়।

আমার দৃষ্টি কোণ থেকে অনুষ্টান টি সার্বিক মূল্যায়ন ও সার্বজনীন গৃহীত পর্যালোচনা এ ভাবে ব্যাক্ত করতে চাই পৃথিবীর সমস্ত অন্ধকার একত্রিত হলেও একটি প্রদীপের আলোকে ঢেকে রাখতে পারে না। বরং অন্ধকার যত গাঢ় হয়, প্রদীপের ছোট্ট আলোটি তত বিকশিত হয়। তেমনি বিকশি হই জাতীয় কবিতা মঞ্চের কবি লেখক সাহিত্যিক ও শুভানুধ্যায়ী স্বজন ।

আপনাদের উদ্দেশ্যে আমার সুদূর প্রসারিত ক্ষুদ্র চিত্তের আজকের এ নিবেদন আপনি একনিষ্ট সাহিত্যের সাধনা সাহিত্যের অনন্ত জগতে প্রবেশ করার আকাঙ্ক্ষার ইচ্ছে ব্যাক্ত করেন তাহলে জাঁতীয় কবিতা মঞ্চের উমুক্ত দুয়ার আপনার জন্য অহর্নিশ খোলা , হৃদয়ের বদ্ধ দুয়ার। শব্দের রাজ্য জয় করে হৃদয়ের পথে প্রবেশ করুন ভাবের জগতে। কেননা শব্দের রাজ্যে পাবে শুধু লেখার উপাদান, আর ভাবের জগতে পাবে সাহিত্যের সন্ধান। সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের অনিন্দ্য যাত্রাপথে আমাদের বিচরণ গভীর বিশ্বস্ততার, নির্মল প্রতিশ্রুতির স্থায়িত্বের ও নির্ভরতার এক অনবদ্য প্রতীক।

আপনাদের সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় প্রতীয়মান হয় যে অনুষ্টান সফলতার এক চরম উচ্চশিখরে আরোহণ করেছে এই সফলতার ফুলেল নির্যাস টুকু আপনাদের কে পরম শ্রদ্ধায় অর্পণ করতে চাই আর ব্যর্থতার গ্লানি নতশীরে আপদমস্কে গ্রহন করলাম সাফল্য ধরে রাখার জন্য কাজের প্রতি শতভাগ সাফল্যের এই ভূষণে আত্নতৃপ্তির অবকাশ নেই অ তৃপ্ত থেকে অনেক দূর এগিয়ে যাওয়া যায় আসে নিবিড় প্রতিজ্ঞা জয় করা যায় হিমালয়ের দুর্বোধ্য মহা উচ্চতা। যে গুণী মানুষটি প্রতিনিয়ত আমাদের উৎসাহ যুগিয়েছিল বিদায়ের বিষাদের অশ্রু সিক্ত করে তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন তবুও আমরা বুনি তার পথের জ্যোতি যে আলোয় পথ হারায় না পথিক।

প্রগতিশীল চিন্তাধারায় মোহাম্মদ খালেদ এয়ার জীবনাদর্শ আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে । তাঁর স্বপ্ন ধারণ করে; আজকের প্রজন্ম তাঁকে নতুন করে চিন্তা-কাঠামোয় ভাবাবে নিরন্তর তার হাতে প্রজ্বলিত প্রদীপ শিখায় উদয় হবে তারুণ্যের দীপ্তিতে প্রোজ্জ্বল প্রবাস ভূমে। তাঁর সৃষ্টিশীল কর্মরাজি প্রবাসী সাহিত্য অঙ্গন অনুপ্রাণিত হতে থাকবে। যে তার লেখনী আমাদের উপলব্ধি করতে শিখিয়েছে গুণীজনদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ।

অবেলায় তার বিদায় বেলার অর্পিত অনুপ্রেরণা রুদ্ধ পথের শিকল ভাঙ্গার দীপ্ত ব্রতী সদা জাগ্রত অভিযাত্রী মহাকালের জ্যোতি অনিন্দ্য দিশারী হয়ে থাকবে। এ মহান গুণীর শেষ বেলার গোধূলির দিন গুলো পরম আনন্দে ভরে উঠুক পূর্ণতায় প্রাথনা করি জগত সৃষ্টি কর্তার নিকট সু স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু জীবন। বিভ্রান্ত সময়ের অস্থির জমিন চষে মোহাম্মদ খালেদ এয়ার তুলে আনা শব্দগুলো সমসাময়িক প্রজন্মকে দিয়েছে আশা এবং অনুপ্রেরণা এই মহান ব্যক্তিত্বের প্রবাস জীবনের বিদায়ী সংবর্ধনা সাফল্য গাঁথা চির অম্লান করে রাখার জন্য জাতীয় কবিতা মঞ্চের সকল সদস্য এবং শুভানুধ্যায়ী সকলের প্রতি আমি বিষম ভাবে কৃতজ্ঞ ও উদ্দীপ্ত আমার পক্ষ থেকে জানাই উঞ্চ প্রীতি ও অবিরাম শুভ কামনা।

শেষ প্রান্তে এই লেখা গুলো লিখতে আমি সম্পূর্ণ ভাবে অপ্রস্থুত ও অনাকংক্ষিত ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঈর্ষা ও স্বার্থপরতা আমাদের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি বেঁধে রাখে। বিশ্বস্ত হওয়ার পূর্বে বিখ্যাত হওয়ার প্রচেষ্টা বিফলতার অভিশপ্ত সোপান। কখন বুঝবে তুমি শ্রেষ্ঠ ? তুমি তখনি সবার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি যখন দেখবে তোমার ভালো কর্ম দেখে এক শ্রেণির মানুষ সহ্য করতে পারে না তুমি যখন সৎ ও কল্যাণমুলক কাজ করতে থাকবে তখন তোমার অনেক শত্রু সৃষ্টি হবে, যখন তোমার আশেপাশের মানুষগুলো বেঈমানী করতে থাকবে, তখন বুঝবে বিধাতা তোমার ওপরে ওঠার পথ সুগম করে দিচ্ছেন। যখন সবাই তোমাকে হিংসা করতে শুরু করবে।

দুঃখের বিষয় এই শিক্ষিত সমাজ কিংবা অর্ধ শিক্ষিত সমাজে সহনশীলতা, ধৈর্য, কৃতজ্ঞতা, সন্মানবোধ খুঁজে পাওয়া যায় না। কাকে মেরে কে বড় হবে, কারো ভালো কেউ দেখতে পারে না। চাটুকারিতার মতো আচ্ছন্ন হয়ে গেছে বিবর্ণ কতিপয় কিছু কীট । একজনের উন্নতি দেখলে আরেকজন হিংসায় জ্বলে ঈর্ষা করে। নিজে কৃতজ্ঞ কি না এটা না ভেবেই অন্যকে অকৃতজ্ঞ বলে দেবে। বাংলায় যখন ঈর্ষা শব্দটি ব্যবহার করা হয় শব্দটির সঠিক বাংলা হল পরশ্রীকাতরতা কিন্তু ঈর্ষা কেন হয়?

এক ধরনের অনুভূতিজনিত আঘাত থেকে মানুষ ঈর্ষা করতে শুরু করেন এবং তার মূলে থাকে নিজের কোনও খামতি বা দুর্বল দিক। ঈর্ষা তৈরি হতে আর একটি উপাদান খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং তা হল নিজের সম্পর্কে হীন মনোভাব। এই হীনমন্যতাই মানুষকে অন্যের সম্পদ, জীবনযাপন, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কেরিয়ার, সামাজিক প্রতিষ্ঠা সবকিছু নিয়ে ঈর্ষা করতে শেখায়। এবং তাই ঈর্ষার কোনও শেষ নেই বরং ঈর্ষা জমতে জমতে বিরাট আকার ধারণ করে এবং মানুষকে ক্রমশ অপরাধের দিকে ঠেলে নিয়ে যায়। ঈর্ষায় ধ্বংস হয় পরিবার, সমাজ, দেশ। একদিন ধ্বংস হবে পৃথিবী।

আসুন আমরা ঈর্ষা প্রবণ পরায়ণ পরিহার করি একটি সুন্দর শান্তিময় নির্মল পৃথিবী বিনির্মাণ করি তবে তো আমরা হতে পারি সৃষ্টির প্রদত্ত সেরা জীব। চিন্তার সংকীর্ণতা বর্জন করো এবং হৃদয়ের উদারতা অর্জন করো। কেননা উদার হৃদয়েই শুধু ভাবের আবির্ভাব হয়, সংকীর্ণ হৃদয়ে নয় তোমার চিন্তায় যেন ঈর্ষা ও বিদ্বেষ না থাকে; তোমার হৃদয়ে যেন সবার প্রতি ভালবাসা থাকে, যে ভালোবাসা হবে জাগতিক সকল চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে; যে ভালোবাসা শুধু দান করে এবং দানের আনন্দেই তৃপ্ত থাকে, কখনো প্রতিদান কামনা করে না; যে ভালোবাসা শুধু বিলিয়ে দেয়, কিছু কুড়িয়ে নেয় না;

অনেকে কারো ঔদার্যকে দুর্বলতা ভেবে সুযোগ সন্ধানী হয়। তাতে কেউ কষ্ট পেলেও রূষ্ট হয় না তাতে বরং মুখোশ উম্মচিত হয়। তুমি কভু গ্রহণ করো না নিন্দকের নিন্দনীয় অশুভ ছায়া। রাস্তার পাশে যে গাছটি কণ্টককীন এবং ছায়া দেয় তপ্ত-শ্রান্ত পথিককে- সেটাকেই বেশি আঘাত পেতে হয়। তবু সে কি ছায়া দেওয়া থামিয়ে দেয়? কণ্টকিত হয়? যারা সাহিত্য-সংস্কৃতির মাঝে ডুবে থাকেন, তাদেরকে পার্থিব কোনো মলিনতা স্পর্শ করতে পারেন না। সাহিত্যকর্ম হচ্ছে তিল তিল প্রতিফলনে গড়ে উঠা আবাদি সবুজের স্বপ্নীল ফলক। এখানে পাছে লোকের পরশ্রীকাতর অনাধিকার চর্চা অবাঞ্ছিত।

তোমার প্রেরণা খুঁজে নাও জগত থেকে বৃষ্টির রিমঝিম থেকে তুমি লেখার প্রেরণা পাবে। ভোরের আলো থেকে, সন্ধ্যার আঁধার থেকে, দিগন্তের লালিমা থেকে, আকাশের নীলিমা থেকে, মেঘের আল্পনা থেকে, চাঁদের জোসনা থেকে, তারকার ঝিলিমিলি থেকে এবং জোনাকির আলোকসজ্জা থেকে তুমি চিন্তার স্নিগ্ধতা লাভ করবে। তোমার কলম জীবন্ত হবে, সৃজনশীল হবে।

সাহিত্যের সাধনায় তুমি সফল হবে। তোমার সাহিত্য সত্য ও সুন্দরের এবং শুভ ও কল্যাণের ধারক হবে পুস্পায়িত হবে তোমার ভাবনার সুদূর মঞ্ছিল তখন তোমার পরম অশুভ কামনার পথিক টি ফুলেল মাল্য নিয়ে অধির আগ্রহে তপ্ত রৌদ্রে অপেক্ষ্যমান থাকবে ভাঙবে চরম দাম্বিকতার মূলোৎপাটন।

তোমার হৃদয় থেকে ভাবের অনিঃশেষ ঝর্ণাধারা উৎসারিত হবে। জীবনের সঙ্গে সাহিত্যকর্মের অবিচ্ছিন্নতা, সমিল-সততা আর প্রায়োগিক নির্মাল্য। তার প্রাত্যহিক জীবনের প্রতিটি বেলা-অবেলা, চিন্তা-চেতনা, দৃষ্টিভঙ্গি, সময়-অসময়, গ্রহণ-বর্জন সাহিত্যকর্মের অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ হয়ে ফুটে ওঠে। এখন ক্রমেই দখল করে নিচ্ছে অস্থিরতা ।

এসবের মোকাবেলায় কবিতার মঞ্চ বাঁচিয়ে রাখতে হলে কবিদেরও দায়িত্ব নিতে হবে। তখন তোমার প্রয়োজন অগাধ সাহস, কর্মের উপর প্রকৃত আস্থা, নিজের ওপর দুরন্ত বিশ্বাস আর অফুরন্ত মনোবল। অনেক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাসে সাহিত্যচর্চা ও সাহিত্য নতুন উদ্যোমে এগিয়ে চলছে কবিতার এই তীর্থ যাত্রার ধারক ও বাহক জাতীয় কবিতা মঞ্চ আরব আমিরাত শাখার নিরলস প্রচেষ্টার ফসিল। আকাশের মেঘমালা কিংবা পাহাড়ের ঝর্ণা ধারার ন্যায় অবিচল এ অগ্রযাত্রা প্রাণবন্ত ও সাফল্যের পরিসরে বহমান অব্যাহত থাকবে। সকলেই আমাদের শুভানুধ্যায়ী বন্ধু সবাইকে নিয়ে আমাদের পথ চলা

আমাদের আসরে আসুন, আপনার কবিতা লেখনী, আবৃত্তি, অভিনয় ও সঙ্গীত চর্চা তুলে ধরুন। আমাদের দ্বার সবার জন্য উন্মুক্ত। আগামী দিনে আজকের তরুণ সাহিত্য কর্মীরা বরেণ্য সাহিত্যিক হবে বলে আশা প্রকাশ করি। হৃদয়ে অদম্য প্রয়াস লক্ষ্য অবিচল আর জয়ী হওয়ার স্বপ্নে প্রবাসী সাহিত্যানুরাগীদের অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতায় চাই। হৃদয়ের বাসনা যদি সৎ হয় লক্ষ্য যতদূরই হোকনা কেন একদিন না একদিন অভীষ্ট লক্ষ্যে প্রাপ্তি হবে।

প্রতিদিন নতুন সৃষ্টির আশায় জাতীয় কবিতা মঞ্চ আরব আমিরাত সাহিত্যের এই বর্ণিল জগতে আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রিত সবার মিলিত সহযোগিতায় সফল হোক পথ চলা। কবি ও কবিতার পাঠক অনুরাগী সকলকে একটি সফল বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্টান উপহার দেওয়ার জন্য চির কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন। সবার মঙ্গলময় জীবনের প্রতিচ্ছবি তে ভরে উঠুক অনিন্দ্য সুখ শান্তি ও ভরপুর সমৃদ্ধি ।

মুহাম্মদ মুসা
সভাপতি
জাতীয় কবিতা মঞ্চ
যুগান্তর স্বজন সমাবেশ
সংযুক্ত আরব আমিরাত শাখা
০১-১২-২০১৬ ইং

LEAVE A REPLY